Md. Ruhul Amin, in their own words
ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে নিজের জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। নতুন নতুন বিষ…
কবে Dreams IT Park-এ যোগ দিয়েছেন?
২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের ০১ তারিখ
কেন এসেছিলেন?
ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে নিজের জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। নতুন নতুন বিষয় শেখা, প্রতিনিয়ত নিজেকে দক্ষ করে তোলা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মাধ্যমে ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করতে চাই। সেই লক্ষ্য পূরণে নিজেকে প্রস্তুত করা, বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই আমার এই পথচলা।
প্রথম দিনগুলো কেমন ছিল?
জীবনের প্রতিটি নতুন শুরুই নিয়ে আসে নতুন কিছু শেখার সুযোগ এবং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা। ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের এই যাত্রায় আমার প্রথম পদক্ষেপটি ছিল স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার এক বিশেষ মুহূর্ত।
আমি জানি, সফলতার পথ কখনোই সহজ নয়। প্রয়োজন ধৈর্য, কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং শেখার প্রতি অদম্য আগ্রহ। তাই প্রতিদিন নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলা এবং নিজের যোগ্যতা দিয়ে ভবিষ্যতে একটি সুন্দর অবস্থান তৈরি করাই আমার লক্ষ্য।
স্বপ্ন শুধু দেখার জন্য নয়, স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্যই আমার এই পথচলা।
ইনশাআল্লাহ, সততা, পরিশ্রম ও ধৈর্যকে সঙ্গী করে একদিন নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাব।
কে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে?
বিশেষ করে সামিউল ভাই, রিজন ভাই এবং হোসাইন ভাই
আপনার মেন্টর সম্পর্কে লিখুন
একজন আদর্শ মেন্টর, যিনি শেখার পাশাপাশি স্বপ্ন দেখতেও অনুপ্রাণিত করেন!
আমাদের মেন্টর রাজু স্যার একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, আন্তরিক ও সৃজনশীল মানুষ। তাঁর সহজবোধ্য শিক্ষাদান পদ্ধতি, ধৈর্য এবং বন্ধুসুলভ আচরণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর ও আনন্দময় করে তোলে।
তিনি প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত যত্নসহকারে বুঝিয়ে দেন এবং আমাদের মধ্যে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করেন। তাঁর দিকনির্দেশনা শুধু দক্ষতা অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করা, নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রাখা এবং লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণাও জোগায়।
ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের এই যাত্রায় তাঁর মূল্যবান পরামর্শ, সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন দক্ষ, সৃজনশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব মেন্টরের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
একজন ভালো মেন্টর শুধু শিক্ষা দেন না, তিনি শিক্ষার্থীদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথও দেখান।
রাজু স্যার, আপনার আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। আপনার কাছ থেকে শিখে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে চাই।
সব মিলিয়ে এখানকার পরিবেশ কেমন?
একটি সুন্দর পরিবেশ, নতুন অভিজ্ঞতা এবং স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে চলা!
এখানকার মনোরম ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। চারপাশের আন্তরিকতা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ইতিবাচক মনোভাব প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার অনুপ্রেরণা জোগায়।
আমাদের মেন্টর ও সহপাঠীদের সহযোগিতায় প্রতিনিয়ত নতুন জ্ঞান অর্জন করছি, নিজের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছি এবং সৃজনশীল চিন্তাভাবনাকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারছি। এখানকার প্রতিটি দিনই যেন নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন শিক্ষা এবং নিজেকে আরও ভালোভাবে গড়ে তোলার একটি সুযোগ।
বিশেষ করে সবার সুন্দর ব্যবহার, আন্তরিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এখানকার পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত ও আনন্দময় করে তুলেছে। এমন একটি ইতিবাচক পরিবেশে ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট শেখার সুযোগ পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
আমার বিশ্বাস, এই শেখার অভিজ্ঞতা, অর্জিত দক্ষতা এবং সবার দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্বপ্ন পূরণের পথে প্রতিটি শেখাই একেকটি নতুন পদক্ষেপ। ইনশাআল্লাহ, এই পথচলা একদিন সফলতার গল্প হয়ে উঠবে।
সবচেয়ে কঠিন কী ছিল?
স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।
আমার এই যাত্রায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিজের পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। লালমনিরহাট থেকে সিলেটে এসে থাকা, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া—সবকিছুই ছিল আমার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা।
শুরুর দিকে মনে কাজ করত ভয়, দ্বিধা আর নানা ধরনের অনিশ্চয়তা। পরিবার, আপনজন ও পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে দূরে থাকাটা মোটেও সহজ ছিল না। তবুও নিজের স্বপ্ন পূরণ করার ইচ্ছা এবং ফ্রিল্যান্সিং শিখে ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার দৃঢ় সংকল্প আমাকে প্রতিনিয়ত সাহস জুগিয়েছে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখছি, নতুন মানুষের কাছ থেকে শিখছি এবং প্রতিদিন নিজেকে আরও একটু এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। এখন উপলব্ধি করছি, জীবনে বড় কিছু অর্জন করতে হলে কখনো কখনো নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা ছেড়ে অজানা পথে পা বাড়াতে হয়।
কারণ, স্বপ্ন পূরণের পথ সবসময় সহজ হয় না; কিন্তু দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, ধৈর্য আর পরিশ্রম থাকলে কঠিন পথও একদিন সফলতার পথ হয়ে ওঠে।
ইনশাআল্লাহ, সব বাধা পেরিয়ে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাব এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারব—এটাই আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।
কী কী শিখেছেন?
নতুন দক্ষতা অর্জন, নিজেকে সমৃদ্ধ করা এবং সফলতার পথে এগিয়ে চলা!
এখানে এসে ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে অনেক নতুন বিষয় শেখার সুযোগ পাচ্ছি। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে নিজের জ্ঞান ও দক্ষতার পরিধি বাড়ছে এবং ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে বাস্তব ধারণা তৈরি হচ্ছে।
বিশেষ করে ডিজিটাল মার্কেটিং, ক্লায়েন্ট হান্টিং, ভিডিও এডিটিং, AI টুলসের ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, SEO, কনটেন্ট ক্রিয়েশন এবং অনলাইন প্রমোশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করছি।
পাশাপাশি কীভাবে সঠিকভাবে ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করতে হয়, পেশাদারভাবে যোগাযোগ করতে হয় এবং নিজের কাজকে আকর্ষণীয় ও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করতে হয়, সেসব বিষয়েও শিখছি। আধুনিক প্রযুক্তি ও AI টুলস ব্যবহার করে কীভাবে আরও সৃজনশীল, মানসম্মত এবং সময়োপযোগী কাজ করা যায়, সেই অভিজ্ঞতাও অর্জন করছি।
এই শেখার যাত্রা শুধু আমার দক্ষতা বাড়াচ্ছে না, বরং আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুনভাবে ভাবার অনুপ্রেরণাও জোগাচ্ছে।
আমার লক্ষ্য শুধু দক্ষতা অর্জন করা নয়; বরং অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব কাজে প্রয়োগ করে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও সফল ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।
আমি বিশ্বাস করি, প্রতিদিনের ছোট ছোট শেখা ও নিরলস প্রচেষ্টাই একদিন বড় সফলতার ভিত্তি তৈরি করবে। ইনশাআল্লাহ, নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রম দিয়ে স্বপ্নের লক্ষ্যে পৌঁছাব।
এখন কেমন আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে অনেক ভালোই।
আপনার স্বপ্ন কী?
আমার স্বপ্ন নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্রিল্যান্সার ও সফল ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে গড়ে তোলা। নিজের দক্ষতা, পরিশ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে এমন একটি অবস্থানে পৌঁছাতে চাই, যেখানে নিজের পরিচয় নিজেই তৈরি করতে পারব।
এই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই আমি মাসে ৩০ হাজার টাকার বেতনের চাকরি ছেড়ে নতুন একটি পথ বেছে নিয়েছি। জানি, এই পথ সহজ নয়; এখানে রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ, ত্যাগ ও অনিশ্চয়তা। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস এবং ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।
আমার কাছে এটি শুধু একটি পেশা পরিবর্তন নয়, বরং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য নেওয়া একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।
ইনশাআল্লাহ, কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে একদিন নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাব এবং নিজের যোগ্যতায় একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব।
Dreams IT Park সম্পর্কে আর কিছু বলার থাকলে লিখুন
Dreams IT Park আমার কাছে শুধু একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং নতুন কিছু শেখা, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি সুন্দর সুযোগ। এখানকার পরিবেশ, মেন্টরের আন্তরিকতা, সৃজনশীলভাবে শেখানোর পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব সত্যিই প্রশংসনীয়। এখানে এসে আমি ডিজিটাল মার্কেটিং ও ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে নতুন নতুন বিষয় শেখার পাশাপাশি নিজের আত্মবিশ্বাসও বাড়াতে পারছি। বিশেষ করে, নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। আমি আশা করি, Dreams IT Park ভবিষ্যতেও এভাবে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আরও অনেককে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। এমন একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। Dreams IT Park-এর উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
“যারা Dreams IT Park-এ আসতে চান, তাদের জন্য আমার পরামর্শ হলো—নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, মনে বড় স্বপ্ন রাখুন এবং সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিশ্রম করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসুন। শুরুতে হয়তো নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ এবং নতুন বিষয় শেখার কারণে কিছুটা ভয় বা দ্বিধা কাজ করতে পারে, কিন্তু ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাওয়া যাবে না। এখানে শেখার আগ্রহ, ধৈর্য, নিয়মিত অনুশীলন এবং মেন্টরের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত গুর”




