Mahmudul Hasan, in their own words
প্রথম দিকের দিনগুলো আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল, কারণ আমি জীবনে প্রথমবারের মতো বাড়ি থেকে এত দূরে এসেছিলাম। তার ওপর, কম্পিউটার সম্পর্কেও আমার তেমন কোনো ধারণা ছিল না।
কবে Dreams IT Park-এ যোগ দিয়েছেন?
02-08-2025
কেন এসেছিলেন?
আমি এখানে এসেছি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে।
প্রথম দিনগুলো কেমন ছিল?
প্রথম দিকের দিনগুলো আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল, কারণ আমি জীবনে প্রথমবারের মতো বাড়ি থেকে এত দূরে এসেছিলাম। তার ওপর, কম্পিউটার সম্পর্কেও আমার তেমন কোনো ধারণা ছিল না।
কে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে?
আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন ড্রিমস আইটি পার্কের সিনিয়র ভাইয়েরা। বিশেষ করে ড্রিমস আইটি পার্কের সিইও স্যার আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।
প্রথম অর্ডার পাওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল?
প্রথম অর্ডার পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না। সত্যিই, এটি ছিল আমার জীবনের এক অসাধারণ মুহূর্ত। প্রথমবার নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্ডার পেয়ে যে আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস পেয়েছিলাম, তা কখনো ভুলে যাওয়ার মতো নয়।
আপনার মেন্টর সম্পর্কে লিখুন
আমার মেন্টর সম্পর্কে লিখে শেষ করা যাবে না। তিনি আমাকে হাত ধরে ফ্রিল্যান্সিং শিখিয়েছেন এবং এখনো প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যাচ্ছেন। আমার ক্যারিয়ারের পথে এগিয়ে যেতে তিনি সব সময় আমাকে সহযোগিতা করেছেন। শুধু ফ্রিল্যান্সিং শেখানোই নয়, কীভাবে নিজের পরিশ্রম, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে হয়, সেটাও তিনি আমাকে শিখিয়েছেন। তাঁর দিকনির্দেশনা, অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা আমার জীবনে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। সত্যি বলতে, স্যারের অবদান ও তাঁর প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করে শেষ করা যাবে না। তাঁর মতো একজন মেন্টরকে পাশে পেয়ে আমি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করি।
সব মিলিয়ে এখানকার পরিবেশ কেমন?
আমার দিক থেকে বলতে গেলে, ড্রিমস আইটি পার্ক একটি অসাধারণ প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান সব সময় মানুষের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে সাহায্য করে এবং সবাইকে প্রয়োজনীয় দক্ষতা শেখানোর মাধ্যমে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানকার পরিবেশ, সবার সহযোগিতা এবং শেখার সুযোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমার মনে হয়, এমন সুন্দর ও সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া কঠিন। সবকিছু মিলিয়ে, ড্রিমস আইটি পার্ক আমার কাছে একটি অসাধারণ প্রতিষ্ঠান, যেখানে একজন মানুষ নিজের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার সঠিক দিকনির্দেশনা পায়।
সবচেয়ে কঠিন কী ছিল?
সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল যখন এই প্রতিষ্ঠানে আসার আগে ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করতাম। তখন সবকিছুই অনেক কঠিন মনে হতো। কীভাবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলব, কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখব কিছুই ভালোভাবে বুঝতে পারতাম না। কিন্তু ড্রিমস আইটি পার্কে আসার পর ধীরে ধীরে সবকিছু শিখতে শুরু করলাম। আস্তে আস্তে নিজের দক্ষতা বাড়ল, আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলাম এবং একসময় সবকিছু ঠিক হতে শুরু করল। এখন বুঝতে পারি, ধৈর্য ধরে চেষ্টা করলে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে জীবনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
কী কী শিখেছেন?
আমি এখানে এসে ক্লায়েন্ট হান্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, প্রমোশন, Fiverr-এ SEO অপটিমাইজেশন, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টসহ আরও অনেক কিছু শিখেছি। এসব দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আমি আমার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাড়াতে পেরেছি, যা আমার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে অনেক সাহায্য করেছে।
এখন কেমন আছেন?
সবকিছু মিলিয়ে আমি এখানে অনেক ভালো আছি। এখন আমি আমার ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি এবং ধীরে ধীরে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আগের তুলনায় এখন আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। আমি বিশ্বাস করি, এভাবে ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করে গেলে একদিন নিজের ক্যারিয়ারে আরও ভালো কিছু করতে পারব।
আপনার স্বপ্ন কী?
আমার স্বপ্ন হলো, ড্রিমস আইটি পার্ক থেকে কাজ শিখে একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াব। নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে চাই এবং সময় নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চাই। আমি চাই, একদিন নিজে নিজেই কাজ করতে পারব এবং একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারব।
Dreams IT Park সম্পর্কে আর কিছু বলার থাকলে লিখুন
ড্রিমস আইটি পার্ক সম্পর্কে লিখতে গেলে প্রথমেই বলতে হয়, এটি একটি দারুণ প্রতিষ্ঠান। এখানে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর, নতুন কিছু শেখার এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার অসাধারণ সুযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে, ড্রিমস আইটি পার্ক আমার কাছে একটি চমৎকার প্রতিষ্ঠান
“যারা ড্রিমস আইটি পার্কে আসতে চান, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হলো আপনারা দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখানে আসুন এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করুন। নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, ড্রিমস আইটি পার্কে আসার সিদ্ধান্ত আপনার জীবনের একটি ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। এখানে এসে ধৈর্য ধরে শিখুন, নিজের দক্ষতা বাড়ান এবং স্বপ্ন পূরণের জন”

