MD. ARFAN NUR SAEED NAEEM: নিজের কথায়
আমি এসেছি কারণ আমি আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই, নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই এবং সমাজের জন্য কিছু ভালো করতে চাই। আমার বাবা-মা আমাকে সবসময় ভালোবাসা, সাহস এবং আত্মবিশ্বাস দেন। তাদের মুখে হাসি ফো…
কবে Dreams IT Park-এ যোগ দিয়েছেন?
২০২৬ সালের ১৭ জুন
কেন এসেছিলেন?
আমি এসেছি কারণ আমি আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই, নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই এবং সমাজের জন্য কিছু ভালো করতে চাই। আমার বাবা-মা আমাকে সবসময় ভালোবাসা, সাহস এবং আত্মবিশ্বাস দেন। তাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। আমি চাই তাদের কষ্টের জীবনকে আরও সহজ করতে। আমি নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই, একজন সফল, সৎ এবং মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে।
প্রথম দিনগুলো কেমন ছিল?
প্রথম দিকে নতুন একটি প্রতিষ্ঠানে এসে মানিয়ে নিতে আমার একটু সময় লেগেছিল। হঠাৎ করে নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ আর নতুন সবকিছুর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার কারণে শুরুতে মন বসতে চাইত না। তবে কিছুদিনের মধ্যেই এই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের সঙ্গে আমি পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পেরেছি। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো এই প্রতিষ্ঠানের মানুষগুলোর আন্তরিকতা, সততা এবং সুন্দর মনের পরিচয়। এখানকার মানুষজন খুবই মিশুক, সহযোগিতাপরায়ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। তারা সবাইকে আপন করে নিতে জানে এবং একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা দেখায়। তাদের সহজ-সরল ব্যবহার, আন্তরিক কথা আর সহযোগিতার মনোভাব আমাকে খুব মুগ্ধ করেছে। ধীরে ধীরে এই প্রতিষ্ঠানটি আমার কাছে শুধু একটি নতুন পরিবেশ নয়, বরং আপন একটি জায়গা হয়ে উঠেছে। এখন এখানে থাকতে আমার ভালো লাগে, সবার সঙ্গে মিশতে ভালো লাগে এবং প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে পারছি। এই প্রতিষ্ঠানে থেকে আমি বুঝতে পেরেছি, একটি প্রতিষ্ঠানকে সুন্দর করে তোলে, সেখানকার মানুষের ভালো ব্যবহার, মানবিকতা ও আন্তরিকতা। পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশও আমাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। সব মিলিয়ে, এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার মনে একটি সুন্দর ভালো লাগা ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। আমি কৃতজ্ঞ যে এমন কিছু ভালো মনের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি, যারা অল্প সময়ের মধ্যেই আমাকে আপন করে নিয়েছেন। আশা করি, ভবিষ্যতেও সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে পারব, ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারব এবং এই প্রতিষ্ঠান থেকে আরও অনেক ভালো কিছু শিখতে পারব।
কে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে?
আমার শেখার ও নিজেকে গড়ে তোলার এই যাত্রায় সর্বপ্রথম যার অবদান আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে, তিনি হলেন Dreams IT Park-এর সম্মানিত Founder ও CEO স্যার। তাঁর সঠিক দিকনির্দেশনা, মূল্যবান পরামর্শ এবং অনুপ্রেরণামূলক কথা আমার মধ্যে কাজের প্রতি মনোযোগ, দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। তাঁর কথা থেকে আমি বুঝতে পেরেছি, জীবনে সফল হতে হলে শুধু স্বপ্ন দেখলেই হবে না, সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য ধৈর্য, পরিশ্রম, সততা ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তাঁর অনুপ্রেরণা আমাকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার এবং নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলার সাহস জোগায়। এরপর বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই আমার ল্যাব লিডার ও গ্রুপ লিডারদের প্রতি। তাঁরা আমাকে প্রতিটি কাজ হাতে-কলমে শিখিয়েছেন এবং কাজের প্রতিটি ধাপে সহযোগিতা করেছেন। কাজ করতে গিয়ে যখনই কোনো ভুল করেছি, তাঁরা বিরক্ত না হয়ে ধৈর্যসহকারে সেই ভুলগুলো বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং কীভাবে আরও ভালোভাবে কাজ করা যায়, তা শিখিয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে আমি শুধু কাজ শেখার সুযোগই পাইনি, বরং শিখেছি কীভাবে ধৈর্য ধরে কাজ করতে হয়, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয় এবং প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করতে হয়। তাঁদের পরিশ্রম, সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা আমাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে। তাঁরা নিজেরা কঠোর পরিশ্রম করার পাশাপাশি আমাদেরও সঠিকভাবে কাজ শেখানোর জন্য আন্তরিক চেষ্টা করেন। তাঁদের এই সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব আমাকে অনুপ্রাণিত করে এবং কাজের প্রতি আরও মনোযোগী ও দায়িত্বশীল হতে সাহায্য করে।আমি মনে করি, একজন ভালো শিক্ষক বা পথপ্রদর্শক শুধু কাজ শেখান না, বরং একজন মানুষের ভেতরের আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলেন এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখান। Dreams IT Park-এর সম্মানিত Founder ও CEO স্যার, আমার ল্যাব লিডার এবং গ্রুপ লিডারদের কাছ থেকে আমি সেই অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা পেয়েছি। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে আমি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি, যা আমার ভবিষ্যৎ জীবনে অনেক কাজে আসবে বলে বিশ্বাস করি। সবশেষে, আমি তাঁদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি চাই, তাঁদের কাছ থেকে অর্জিত শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী, সৎ ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। আমার বিশ্বাস, সঠিক দিকনির্দেশনা, কঠোর পরিশ্রম এবং সবার সহযোগিতা পেলে একদিন আমিও নিজের লক্ষ্য পূরণ করতে পারব এবং আমার পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্মান ও গর্ব বয়ে আনতে পারব।
প্রথম অর্ডার পাওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল?
আমি যখন প্রথম অর্ডার পাই, তখন আমার মনের মধ্যে এক অন্যরকম আনন্দ ও অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সেই মুহূর্তটি আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয় এবং আরও বেশি পরিশ্রম করার অনুপ্রেরণা জোগায়। আমার মনে হয়েছিল, আমার শেখা ও চেষ্টাগুলো ধীরে ধীরে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রথম অর্ডারটি আমার কাছে শুধু একটি কাজ ছিল না, বরং এটি ছিল নিজের যোগ্যতার ওপর বিশ্বাস অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আমি বুঝতে পেরেছি, ধৈর্য, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে গেলে সফলতা একদিন আসবেই। এই অর্জন আমাকে আরও ভালোভাবে কাজ শিখতে এবং নিজের দক্ষতা বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। আমার স্বপ্ন, একদিন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করব এবং একজন সফল ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করব। আমি বিশ্বাস করি, আজকের ছোট ছোট অর্জনই একদিন আমার বড় স্বপ্ন পূরণের পথ তৈরি করবে।
আপনার মেন্টর সম্পর্কে লিখুন
আমার জীবনে যাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তিনি হলেন আমাদের সম্মানিত মেন্টর ও Dreams IT Park-এর Founder ও CEO স্যার। তিনি একজন অসাধারণ মনের মানুষ, অত্যন্ত বিনয়ী ও নিরহংকারী। তিনি আমাদের সঙ্গে যেমন বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতেন, তেমনি প্রয়োজনে কঠোর শাসনের মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে শিখিয়েছেন। স্যার আমাদের শুধু কাজ শেখাননি, বরং জীবনে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতে, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছাতে শিখিয়েছেন। তাঁর প্রতিটি দিকনির্দেশনা আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য মূল্যবান শিক্ষা ও শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তিনি আমাদের পেছনে যে সময়, শ্রম ও আন্তরিকতা দিয়েছেন, তা সত্যিই অবিস্মরণীয়। তিনি আমাদের শুধু শিক্ষার্থী হিসেবে দেখেননি, বরং নিজের কাছের মানুষ মনে করে আমাদের উন্নতির জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন।
আমার কাছে একজন প্রকৃত মেন্টর শুধু পথ দেখান না, তিনি এমনভাবে মানুষকে গড়ে তোলেন, যেন একদিন সেই মানুষ নিজের যোগ্যতায় নিজের পথ তৈরি করতে পারে। স্যার আমাদের মধ্যে সেই আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ববোধ ও স্বপ্ন পূরণের সাহস তৈরি করেছেন। তাঁর শাসনের মধ্যে ছিল আমাদের ভালো করার ইচ্ছা, তাঁর কথার মধ্যে ছিল ভবিষ্যৎ গড়ার শিক্ষা, আর তাঁর সহযোগিতার মধ্যে ছিল আমাদের সফল দেখতে চাওয়ার আন্তরিকতা। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে আমরা জীবনে যত দূরেই এগিয়ে যাই না কেন, আমাদের এই পথচলার পেছনে স্যারের অবদান সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা আমাদের জীবনের এক অমূল্য সম্পদ। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ যে তাঁর মতো একজন মেন্টরের দিকনির্দেশনায় নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের জীবনের সফলতার গল্পে তাঁর অবদান কখনোই অস্বীকার করার মতো নয়, কারণ তিনি শুধু আমাদের কাজ শেখাননি, বরং জীবনে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখার সাহসও দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে এখানকার পরিবেশ কেমন?
সব মিলিয়ে বলতে গেলে, Dreams IT Park-এর পরিবেশ আমার কাছে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার একটি সুন্দর জায়গা। এখানকার মানুষগুলো আন্তরিক, সহযোগিতাপরায়ণ এবং সুন্দর মনের অধিকারী। Founder ও CEO স্যারের দিকনির্দেশনা, মেন্টরদের অনুপ্রেরণা এবং লিডারদের সহযোগিতা আমাকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে ও সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে। এখানে এসে আমি বুঝতে পেরেছি, সঠিক পরিবেশ, পরিশ্রম এবং দিকনির্দেশনা একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। আমি কৃতজ্ঞ যে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে নিজেকে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছি। আমার বিশ্বাস, এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা একদিন আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে এবং বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করবে। আমার কাছে Dreams IT Park শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমার স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার এক নতুন আশার নাম।
সবচেয়ে কঠিন কী ছিল?
আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন ছিল মার্কেটিংয়ের প্রথম ছয় দিন। এ সময় বারবার ভুল হচ্ছিল, তবে আমি হাল ছাড়িনি। নিজের ভুলগুলো সংশোধন করে মনোযোগ দিয়ে কাজ চালিয়ে গেছি। অবশেষে ষষ্ঠ দিনে ৫০ ডলারের প্রথম অর্ডার পাই, যা আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয় এবং কাজের প্রতি নতুন আগ্রহ তৈরি করে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি, ধৈর্য ধরে ভুল সংশোধন করে চেষ্টা চালিয়ে গেলে কঠিন কাজও একসময় সহজ হয়ে যায়।
কী কী শিখেছেন?
এখানে এসে আমি ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার পাশাপাশি বাস্তব জীবন সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা অর্জন করেছি। শিখেছি কীভাবে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হয়, নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখতে হয় এবং ধৈর্য ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে হয়। পাশাপাশি সময়ের সঠিক ব্যবহার, দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা, দলবদ্ধভাবে কাজ করা এবং নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও শিখেছি।
সবচেয়ে বড় কথা, এখানে আমি শুধু কাজ শেখার সুযোগ পাইনি, বরং ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ পেয়েছি। আমি বুঝতে পেরেছি, শুধু দক্ষতা অর্জন করলেই সফল হওয়া যায় না; সফল হতে হলে নিজের চিন্তাভাবনা, মনোভাব ও কাজের প্রতি দায়িত্ববোধকেও উন্নত করতে হয়। আমার কাছে এই শিক্ষাগুলোই ভবিষ্যতে নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে থাকবে।
এখন কেমন আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী। নতুন নতুন বিষয় শিখছি, নিজের দক্ষতা বাড়াচ্ছি এবং প্রতিদিন নিজেকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করছি। এখন আমি বুঝতে পারি, জীবনে সফল হতে হলে ধৈর্য, পরিশ্রম ও নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা, এখন আমি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী। আমার স্বপ্ন পূরণ করে বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর ইচ্ছা আমাকে প্রতিনিয়ত সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। আমি বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একদিন অবশ্যই নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।
আপনার স্বপ্ন কী?
আমার স্বপ্ন হলো একজন দক্ষ, সফল ও বিশ্বস্ত ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা। আমি চাই, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করতে এবং নিজের যোগ্যতায় সফলতা অর্জন করতে। পাশাপাশি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা, তাঁদের মুখে হাসি ফোটানো এবং পরিবারের দায়িত্ব নেওয়াই আমার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, স্বপ্ন শুধু দেখার জন্য নয়, বরং কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য। তাই প্রতিদিন নতুন কিছু শিখে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে চাই এবং একদিন নিজের সফলতার মাধ্যমে বাবা-মা ও প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।
যারা Dreams IT Park-এ আসতে চান, তাদের জন্য আমার পরামর্শ হলো, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, ধৈর্য ধরুন এবং শেখার মানসিকতা নিয়ে আসুন। শুরুতে হয়তো কিছু কাজ কঠিন মনে হবে, ভুল হবে, কখনো হতাশাও আসতে পারে। কিন্তু হাল ছেড়ে না দিয়ে নিজের ভুলগুলো সংশোধন করে মনোযোগ দিয়ে কাজ শিখতে হবে। এখানে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা অর্জন করা যায়, যা নিজের ক্যারিয়ার গড়তে এবং আ
MD. ARFAN NUR SAEED NAEEM
